(New) ফ্রিল্যান্সিং বই Pdf Download (All)আইটি, কম্পিউটার, ডিজিটাল মার্কেটিং ও প্রোগ্রামিং বই Pdf Download

(৫টি) জাভা প্রোগ্রামিং শেখার বাংলা বই Pdf

Java programming bangla book PDF Free download – জাভা প্রোগ্রামিং শেখার বাংলা বই Pdf Download link-

  জাভা প্রোগ্রামিং ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড

.অনলাইন জগতে কাজ শেখার নিমিত্তে বর্তমানে আমাদের নানা ধরনের প্রোগ্রামিং শেখা লাগতেছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা শেখে আমরা অনেক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারি ফ্রিল্যান্সিং জগতে। জাভা হচ্ছে একটি ক্লাস অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। হাজার 995 সালে সর্বপ্রথম ল্যাঙ্গুয়েজ প্রকাশ পায়। গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এটি আমাদের সিকিউরিটি প্রদান করে।


আরও পড়ুনঃ

বই: কান্দাহারের ডায়েরি
রবার্ট গ্রেনিয়ার (সিআইএ-র ইসলামাবাদ ষ্টেশন চিফ)
আমেরিকা আফগানিস্তান ছেড়ে দিচ্ছে। আরো এক বা দুই বছর অল্পসংখ্যক, যুদ্ধবিহীন সামরিক উপস্থিতির পরিকল্পনা করা হতে পারে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে আমেরিকার উদ্দেশ্য ছিল আল-কায়েদাকে নির্মুল করা ও তাদের অভয়ারণ্য ধ্বংস করা। প্রথম লক্ষ্য বেশ খানিকটা অর্জিত হলেও দ্বিতীয়টি হয়নি। ১ লাখ আমেরিকান সেনা মোতায়েন করা হয়। এর সাথে ছিল ৪০ হাজার ন্যাটো বাহিনী। ব্যয় ছিল প্রতি বছর প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার।
আমাদের অপব্যয় জন্ম দিয়েছে দুর্নীতির। বেশ কিছু আফগানের কাছে প্রকৃতপক্ষে আমরা ছিলাম দখলদার এবং তালিবানের পুনরুত্থানের জন্য দায়ী। ব্যর্থতা ছিল একটি অপশন আমাদের জন্য। এটা ভিয়েতনামের ক্ষেত্রেও সত্য ছিল এবং আফগানিস্তানের ক্ষেত্রেও।
আফগানিস্তানে আমাদের সাম্রাজ্যবাদী ব্যর্থতার জন্য আমেরিকান প্রতিক্রিয়া দুর্ভাগ্যজনক। একটি অর্জনযোগ্য বিজয় ও মানিয়ে নেয়ার পরিবর্তে আমরা বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
বলা হয় ভবিষ্যতের বিষয়ে কিছু বলা কঠিন। তবে কিছু বিষয় আছে যা আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রত্যাশা করতে পারি। আফগানিস্তান ক্রমাগত গৃহযুদ্ধের কবলে আছে ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহারের পর থেকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনী চলে যাওয়ার পর গৃহযুদ্ধ সম্ভবত আরো তীব্র আকার ধারণ করবে।
তালিবান এবং নর্দান এলায়েন্সের মধ্যে ধর্মীয়-জাতিগত বিভেদ, প্রশাসনের অভাব এবং তালিবানদের ঘরোয়া নির্মমতা—সব মিলিয়ে নিশ্চিত ছিল যে দেশের একটা বড় অংশ বিশেষ করে দক্ষিণ এবং পূর্বের গ্রামাঞ্চলসমূহ তালিবান শাসনের অধীনে আসবে।
তালিবানকে প্রতিহত করার জন্য টেকসই ও সক্ষম থাকার জন্য কাবুল সরকার নির্ভরশীল থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য বিদেশি সহায়তার উপর। প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা পাবে তারা। আর্থিক সহায়তা বিদেশি সেনাবাহিনীর তুলনায় বেঁচে থাকার জন্য আরো বেশি অর্থবহ। ১৯৯২ সালে নাজিবুল্লাহ সরকারের পতন সোভিয়েত সামরিক বাহিনীর প্রত্যাহারের কারণে হয়নি। পতন হয়েছে সোভিয়েত সহায়তা বন্ধ করে দেয়ার ফলে।
কিছু নন-কমব্যাট আমেরিকান সেনা আফগানিস্তানে এক বা দুই বছর অবস্থান করা প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন। যতক্ষণ তারা থাকবে, আমেরিকান আর্থিক সহায়তা চলতে থাকবে। তবে এটি অতীতের ইতিহাস থেকে স্পষ্ট যে বিদেশি সেনার অনুপস্থিতিতে আফগানিস্তান বৈদেশিক সহায়তা পাবে না।
এটা সত্য যে, আফগান তালিবান বিশ্বব্যাপী নিবেদিত কোনো জিহাদি সংগঠন নয়। তালিবান আল কায়েদার স্পন্সরকৃত টেরোরিজমে উৎসাহ দেয়নি এবং এতে অংশ নেয়নি। তবে তারা তাদের মুখ ফিরিয়ে নেবে না। তাদেরকে তালিবান ধার্মিক ও নিবেদিত মুসলমান মনে করে যারা আমেরিকা ও এর মিত্র সরকারসমূহের নিপীড়ন প্রতিরোধ করছে। এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই যে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা তালিবানের সমর্থন চাইলে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হবে।
পাকিস্তানে ধর্মীয়ভাবে উৎসাহিত বিদ্রোহ বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরেও এই বিদ্রোহ দূর হবে না। তাদের ধর্মীয় অনুভূতির জন্য আফগান তালিবান পাকিস্তানি তালিবানকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল থেকে কাজ করার অনুমতি দিতে অস্বীকার করবে না।
আফগানিস্তানে তালিবান বিরোধী শাসনব্যবস্থা ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ। পাকিস্তানের পারমাণবিক ক্ষমতার প্রেক্ষিতে আফগানিস্তানে মডারেট ও ধর্মনিরপেক্ষ শাসনের টিকে থাকা আমাদের স্বার্থ। যদি তালিবান আফগানিস্তানে বিজয়ী হয় এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তবে পাকিস্তানের জন্য ফলাফল হবে গুরুতর। পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙে পড়ার পথে নয়। তবে ভবিষ্যত নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য বিস্ময়কর কিছু রেখেছে। পাকিস্তানের জন্য সেগুলো সুখকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।
আফগান সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেবে ছোট কিন্তু কার্যকর আমেরিকান বাহিনী। সীমিত সংখ্যক স্পেশালাইজড সিআইএ অফিসার এবং স্পেশাল ফোর্স থাকবে সাথে। তাদের কাজ হবে আফগান গোত্রসমূহকে চিহ্নিতকরণ, প্রশিক্ষণ এবং সংগঠিত করা।
যাদের আছে তালিবান আধিপত্যকে প্রতিরোধ করার আকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতা এবং নেতৃত্ব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাবুলের আশপাশে কাউন্টার ইনসার্জেন্সিতে সহায়তা করবে এবং এর বাইরের অঞ্চলগুলোতে বিদ্রোহ প্রচার করবে। আমেরিকান উপস্থিতি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের আঘাত করার প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করবে ডুরান্ড লাইনের উভয় পাশে।
আমেরিকানদের সীমিত সম্পৃক্ততা সে রকম বিজয় এনে দিতে পারবে না যেরকম আমেরিকানরা চায়। আফগানিস্তানে কোনো সুপার পাওয়ার বিজয় লাভ করতে হলে প্রয়োজন দৃঢ়তা এবং বুদ্ধি। স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকার মাঝে এই বিষয়টা দেখা যায়নি। বর্তমান আমেরিকান নেতারাও এক্ষেত্রে অসমর্থ। এটা দেখার বিষয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কবে আবার সাউথ-সেন্ট্রাল এশিয়াতে ফিরে যাবে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের ব্যর্থতা সত্ত্বেও আমরা একটি বৈশ্বিক শক্তি, বিশ্বব্যাপী দায়বদ্ধতা আছে আমাদের। ওসামা বিন লাদেনের গ্লোবাল জিহাদ ফোর্স আগের চেয়েও এখন শক্তিশালী। বর্তমানে ও ভবিষ্যতেও হয়তো কিছু সময় তাদের প্রচেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যে কেন্দ্রীভূত হবে। তবে ইসলামের ভবিষ্যতের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সংগ্রামে যুদ্ধক্ষেত্র অনিবার্যভাবে স্থানান্তরিত হবে। এশিয়ান সাব কন্টিনেন্টে ইসলামিক চরমপন্থার উর্বর ভূমি আবারো তাদেরকে হাতছানি দিয়ে ডাকতে পারে। আমরা ভাবতে পারি যে আমরা আফগানিস্তানের সাথে শেষ হয়ে গেছি। কিন্তু আফগানিস্তান আমাদের সাথে শেষ হতে পারে না।
তো বন্ধুরা, জাভা প্রোগ্রামিং শেখার আর কোন বই  লাগলে জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: Content is protected !!