বাংলা কুরআন শরীফ ডাউনলোড PDF(উচ্চারণসহ) – Bangla Quran Sharif 30 Para Pdf Download
কেনো কুরআন মাজীদের নির্বাচিত তর্জমাসমগ প্রকাশ করা কুরআন মাজীদ আল্লাহর কালাম। এ এক জ্ঞান সমুদ্র। দেড় হাজার বছর আগে কুরআন মাজীদ আরবী ভাষায় যেভাবে নাজিল হয়েছিল ঠিক আজো দুনিয়ায় সেভাবে, সগৌরবে এবং অবিকৃতভাবে টিকে আছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ মহাগ্রন্থ পৃথিবীর মানুষ পড়ছে, তিলাওয়াত করে যাচ্ছে। দেড় হাজার বছর বয়সের মূল ভাষায় লেখা এমন কোনো জীবন্ত গ্রন্থ, দুনিয়ায় আর রয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। তাই কুরআন এক অনন্য মহাগ্রস্থ।
আরবি উচ্চারণের নিয়ম, আল্লাহর নামগুলোর অর্থ, ফজিলত পূর্ণ আয়াত এবং কুরআনের কিছু ছোটো ছোটো ফজিলতপূর্ণ সূরা (অর্থসহ) নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। অনেক ভালো লেগেছে। কাউকে উপহার দেয়ার জন্যও উপযোগী। আমি আমার আপুকে একটি উপহার দিয়েছি এবং নিজের জন্য একটি কিনেছি। এমন বই লেখার জন্য লেখকের প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা রইল। ধন্যবাদ।
Bangla Quran Sharif 30 Para Pdf Download links:
মোট খন্ড: ১৪টি
সম্পাদনা: মাওলানা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান
আমপারা
ডাউনলোড লিংক:
খন্ড ০১ |
খন্ড ০২ | খন্ড ০৩ |
খন্ড ০৪ |
খন্ড ০৫ | খন্ড ০৬ |
খন্ড ০৭ |
বাংলাদেশে এমন কুরআন শরিফ সত্যিই বিরল। এত আকর্ষণীয় করে যে পবিত্র কুরআন মাজিদ সাজানো যায় তা ভাবাই যায়না। তাদের প্রকাশনি থেকে যত কপি কিনেছিলাম সব গিফট দিয়ে দিয়ে শেষ। এখন রকমারি থেকে কিনছি। এটি আরো গিফট দিব বলে ভাবছি। সবাইকে এটি একবার হলেও পড়ার অনুরোধ রইলো। সাথে প্রিয়জনদের গিফট দেওয়ার জন্যও রিকোমেন্ড করছি।
ছবির চেয়ে বাস্তবে শতগুণ বেশি সুন্দর ছিল । যেমনটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক অনেক বেস্ট ছিলো। বইয়ের কালার, পেজের মান, বইটার কভার সব কিছুই অসাধারণ ছিলো। আমার চোখে কোন ত্রুটি খুঁজে পাইনি। বইটা হাতে পেয়ে কি যে আনন্দ অনুভব করেছি ভাষায় বোঝাতে পারবো না।
Al কুরআন এক অনন্য মহাগ্রস্থ। এই গ্রন্থ আল্লাহ ফিরিশতা শ্রেষ্ঠ হযরত জিবরাঈলের মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর প্রায় ২৩ বছর ধরে, ধীরে ধীরে নাধিল করেন। ইসলামী জ্ঞানের সবের্চ্চি উৎস এবং দলিল কুরআন মাজীদ। কুরআন মাজীদ আরবী ভাষায় নাধিলকৃত এবং লওহে মাহফুজে সুরক্ষিত। আরবী ভাষায় নাধিলকৃত কুরআনই, মূলতঃ কুরআন। বাংলা কুরআন, ইংরেজী কুরআন, উর্দু কুরআন, ফার্সী কুরআন বা অন্য কোন ভাষায় অনুবাদকৃত কুরআন বলতে, কোনো কুরআন নেই। আমরা কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর যে বার্তা, তা অনুধাবন এবং উপলব্ধি করতে তর্জমার আশ্রয় গ্রহণ করে থাকি। কুরআনের অন্তর্নিহিত জ্ঞান, সৌন্দর্য এবং শক্তিম্তীকে তর্জমার মাধ্যমে পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মানুষ, বিশেষ করে অনারব মানুষেরা তর্জমার! মাধ্যমে কুরআনের বার্তার কাছে পৌঁছার চেষ্টা করে এবং এর মর্ম অনুধাবন করে। এ চেষ্টা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে এবং তা চলতেই থাকবে। কুরআন শব্দটির একটি অর্থ পড়া বা তিলাওয়াত করা।
আমাদের মুখ থেকে নিঃসৃত হওয়া যে কুরআনের বাণী, তাকে আমরা সাধারণত কুরআন তিলাওয়াত বলে থাকি। মুখে উচ্চারণ করার সাথে সাথে কুরআনের যে অর্থ তা আমরা যদি হৃদয়ের মধ্যে উপলব্ধি করতে সক্ষম হই, তবেই সেটি হবে সত্যিকারের কুরআন তিলাওয়াত। কুরআন যে দাবী নিয়ে মানুষের জীবনের জন্য নির্দেশিকা হিসেবে এসেছে, তা উপলব্ধি, অনুধাবন এবং আমলের মাধ্যমেই কেবল যথার্থভাবে কুরআন তিলাওয়াতের বা কুরআন পাঠের যে আহ্বান তার হক পূরণ হয়। একটি কথা আমরা শুনে থাকি, কেউ কেউ বলে থাকেন, এই তর্জমাটি কঠিন ভাষায় লেখা, এ তর্জমাটি বেশী সরল করে লেখা, এই অনুবাদের গাল্টীর্য নেই, ইত্যাদি। এমনও শোনা যায় এ তর্জমাটিতে সঠিক অর্থ প্রতিফলিত হয়নি বা মোটাদাগে ভুল রয়েছে বা বিকৃত অর্থ করা হয়েছে। এসব মানবিক বিচারবুদ্ধির সীমাবদ্ধতা । যা অনেককে ব্যথিত করে বটে। এমনকি বিভ্রান্তির অবকাশও সৃষ্টি করে। এরূপ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে, কুরআন মাজীদের পাঠককে একই সময়ে একাধিক তর্জমা পড়া প্রয়োজন। সে সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে এবং বেশিরভাগ তর্জমার উপর স্থির থাকার জন্য যে তাগিদবোধ, তার প্রতি লক্ষ্য করে এই নির্বাচিত তর্জমাসমগ্র প্রকাশ করার উদ্যোগ নেয়া হলো।